০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংগীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র রুনা লায়লাকে ‘বিশেষ সম্মাননা’ প্রদান কক্সবাজার স্মার্ট সিটি করার মেগা পরিকল্পনা তৈরী হবে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও হাব। ধানের শীষের বড় জয় বিএনপি ক্ষমতার রাষ্ট্র ক্ষমতার পথে। আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিরনিদ্রায় সমাপ্তি জাপান-বাংলাদেশ সহযোগিতা কার্বন বাজার প্রস্তুতি। বাংলাদেশ ও কুয়েত: সেনাপ্রধান এবং সহ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতীয় জরুরী ৯৯৯ সেবা পরিদর্শনে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বিপিআই-এর জ্বালানি প্রশিক্ষণ গবেষণা খাতে সমঝোতা স্বাক্ষর তিস্তার মশাল প্রজ্বালনে ১০৫ কিঃমিঃ জুড়ে বিএনপির আয়োজন। সুমাইয়া হারুন: মিস মাল্টিন্যাশনাল বিশ্ব মঞ্চে নতুন দিগন্ত।
অপরুপ বাংলার কবিতা "অস্তিত্বের আঁশ"

অপরুপ বাংলার কবিতা “অস্তিত্বের আঁশ”

লেখিকাঃ সারমিন চৌধুরী
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৩৪৫৬ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সিসিএন বাংলা

ছুটতে ছুটতে যদি না ফিরি
এই রূপসী বাংলার অতুল তল্লাট থেকে
দু’কদম হেঁটে খোঁজ নিও আমার
দেখবে দূর্বাঘাসের স্বর্গীয় রাজত্বের রত্নাবলি।
অন্ধকারে ঝিঁঝিঁ পোকাদের ঘর,
কচি ধান পাতার আঁচলে শুয়ে-বসে
যৌবনের গল্প বলি ওই ঘাসফড়িং এর সাথে
ক্ষুদ্র শামুকেরা দু’পায়ে মাথা রাখে,
মাঝেই দৌঁড় মারে দু’একটা মাছ হৃদ উঠোনে
নালার বুকে জল বয় একাকী দুঃখে।

কভু যদি আর ফিরে না আসি?
পাবে ওই বুনোফুলের পাপড়িতে
সুবাসে ভাসাবো হৃদয় পঁচা ওই গলিপথ।
পাবে আমারে রংধনুর সাতরঙে
শিমুল কিংবা কৃষ্ণচূড়ার রক্ত লালে,
আমি এই শ্যামল বাংলার মাঠেঘাটে
লাশ হয়ে পঁচে যাবো তবুও জুড়ে রবো
অস্তিত্বের আঁশ রবে উর্বর ভূমির রন্ধ্রে
যদি পারো নিও খোঁজ হে পরিজন!
আমি দিবো সাড়া কোকিলের গানে,
আঁখি দুটি রেখে যাবো উদিত সূর্যের জঠরে
পূর্বদিকে দেখিও গিয়ে সমুদ্র স্নানে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অপরুপ বাংলার কবিতা "অস্তিত্বের আঁশ"

অপরুপ বাংলার কবিতা “অস্তিত্বের আঁশ”

আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

ছুটতে ছুটতে যদি না ফিরি
এই রূপসী বাংলার অতুল তল্লাট থেকে
দু’কদম হেঁটে খোঁজ নিও আমার
দেখবে দূর্বাঘাসের স্বর্গীয় রাজত্বের রত্নাবলি।
অন্ধকারে ঝিঁঝিঁ পোকাদের ঘর,
কচি ধান পাতার আঁচলে শুয়ে-বসে
যৌবনের গল্প বলি ওই ঘাসফড়িং এর সাথে
ক্ষুদ্র শামুকেরা দু’পায়ে মাথা রাখে,
মাঝেই দৌঁড় মারে দু’একটা মাছ হৃদ উঠোনে
নালার বুকে জল বয় একাকী দুঃখে।

কভু যদি আর ফিরে না আসি?
পাবে ওই বুনোফুলের পাপড়িতে
সুবাসে ভাসাবো হৃদয় পঁচা ওই গলিপথ।
পাবে আমারে রংধনুর সাতরঙে
শিমুল কিংবা কৃষ্ণচূড়ার রক্ত লালে,
আমি এই শ্যামল বাংলার মাঠেঘাটে
লাশ হয়ে পঁচে যাবো তবুও জুড়ে রবো
অস্তিত্বের আঁশ রবে উর্বর ভূমির রন্ধ্রে
যদি পারো নিও খোঁজ হে পরিজন!
আমি দিবো সাড়া কোকিলের গানে,
আঁখি দুটি রেখে যাবো উদিত সূর্যের জঠরে
পূর্বদিকে দেখিও গিয়ে সমুদ্র স্নানে।