০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংগীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র রুনা লায়লাকে ‘বিশেষ সম্মাননা’ প্রদান কক্সবাজার স্মার্ট সিটি করার মেগা পরিকল্পনা তৈরী হবে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও হাব। ধানের শীষের বড় জয় বিএনপি ক্ষমতার রাষ্ট্র ক্ষমতার পথে। আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিরনিদ্রায় সমাপ্তি জাপান-বাংলাদেশ সহযোগিতা কার্বন বাজার প্রস্তুতি। বাংলাদেশ ও কুয়েত: সেনাপ্রধান এবং সহ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতীয় জরুরী ৯৯৯ সেবা পরিদর্শনে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বিপিআই-এর জ্বালানি প্রশিক্ষণ গবেষণা খাতে সমঝোতা স্বাক্ষর তিস্তার মশাল প্রজ্বালনে ১০৫ কিঃমিঃ জুড়ে বিএনপির আয়োজন। সুমাইয়া হারুন: মিস মাল্টিন্যাশনাল বিশ্ব মঞ্চে নতুন দিগন্ত।
শিক্ষাঙ্গনে ইফতার মাহফিল নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ ।

শিক্ষাঙ্গনে ইফতার মাহফিল নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ ।

নিজস্ব প্রতিবেদক,
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪
  • / ৩৬৭৮ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

সম্প্রতি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোয়াবিপ্রবি) কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে ইফতার মাহফিল না করার অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (ছাত্রদল) তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

ছাত্রদলের অভিযোগ:

ছাত্রদলের অভিযোগ, তাঁবেদার সরকার ও তাদের আজ্ঞাবহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষাঙ্গনে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি’ বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র করছে।
পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে ওঠার আশঙ্কায় সরকার ইফতার মাহফিল বন্ধের কৌশল অবলম্বন করছে।
সাম্প্রতিককালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে সেহরিতে গরুর গোশত নিষিদ্ধ করা এবং অবৈধ শিক্ষামন্ত্রীর মাদ্রাসা শিক্ষাবিরোধী বক্তব্য এই ষড়যন্ত্রের অংশ।

ছাত্রদলের বক্তব্য:

ছাত্রদল দাবি করছে, পবিত্র রমজান মাসে ইফতার মাহফিল আমাদের সামাজিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এর সামাজিক আবেদন অত্যন্ত সুদৃঢ়।
ইফতার মাহফিলে পরিকল্পিতভাবে বাধা দেওয়া মুসলমানদের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা হরণের শামিল।
ছাত্রদল দেশের সকল স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এরকম ধৃষ্টতাপূর্ণ ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

শিক্ষাঙ্গনে ইফতার মাহফিলের বিষয়টি কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের প্রতীক।
বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের শিক্ষার্থী একসাথে ইফতার করার মাধ্যমে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি পায়।
কর্তৃপক্ষের উচিত সকলের জন্য নিয়ম-কানুন মেনে ইফতার মাহফিলের আয়োজনের অনুমতি দেওয়া।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য কর্তৃপক্ষের উচিত উদ্যোগ গ্রহণ করা।

শিক্ষাঙ্গনে ইফতার মাহফিল বন্ধের সিদ্ধান্ত বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সকলের মতামতকে সম্মান করে এবং সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কথা মাথায় রেখে কর্তৃপক্ষের উচিত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত বলে নবগঠিত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষাঙ্গনে ইফতার মাহফিল নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ ।

শিক্ষাঙ্গনে ইফতার মাহফিল নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ ।

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

সম্প্রতি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোয়াবিপ্রবি) কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে ইফতার মাহফিল না করার অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (ছাত্রদল) তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

ছাত্রদলের অভিযোগ:

ছাত্রদলের অভিযোগ, তাঁবেদার সরকার ও তাদের আজ্ঞাবহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষাঙ্গনে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি’ বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র করছে।
পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে ওঠার আশঙ্কায় সরকার ইফতার মাহফিল বন্ধের কৌশল অবলম্বন করছে।
সাম্প্রতিককালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে সেহরিতে গরুর গোশত নিষিদ্ধ করা এবং অবৈধ শিক্ষামন্ত্রীর মাদ্রাসা শিক্ষাবিরোধী বক্তব্য এই ষড়যন্ত্রের অংশ।

ছাত্রদলের বক্তব্য:

ছাত্রদল দাবি করছে, পবিত্র রমজান মাসে ইফতার মাহফিল আমাদের সামাজিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এর সামাজিক আবেদন অত্যন্ত সুদৃঢ়।
ইফতার মাহফিলে পরিকল্পিতভাবে বাধা দেওয়া মুসলমানদের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা হরণের শামিল।
ছাত্রদল দেশের সকল স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এরকম ধৃষ্টতাপূর্ণ ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

শিক্ষাঙ্গনে ইফতার মাহফিলের বিষয়টি কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের প্রতীক।
বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের শিক্ষার্থী একসাথে ইফতার করার মাধ্যমে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি পায়।
কর্তৃপক্ষের উচিত সকলের জন্য নিয়ম-কানুন মেনে ইফতার মাহফিলের আয়োজনের অনুমতি দেওয়া।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য কর্তৃপক্ষের উচিত উদ্যোগ গ্রহণ করা।

শিক্ষাঙ্গনে ইফতার মাহফিল বন্ধের সিদ্ধান্ত বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সকলের মতামতকে সম্মান করে এবং সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কথা মাথায় রেখে কর্তৃপক্ষের উচিত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত বলে নবগঠিত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছে।